August 3, 2026, 3:50 pm
শিরোনামঃ
আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে প্রাথমিকে বৃত্তি পেলেন আব্দুল্লাহ উমার মানিকগঞ্জে শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চকমিরপুর, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী গাইডলাইন সেশন সুশাসন ও আধুনিক নগর গড়ার প্রত্যয়ে মানিকগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মাসুদ পারভেজ নারায়ণগঞ্জে ৭০ বছর দখলে থাকা জমি জোরকরে বে-দখলের অপচেষ্টা। মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পেলেন এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক সোহেল রানা খন্দকার এমপি এস. এ. জিন্নাহ কবির–এর এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পেলেন টিপু সুলতান মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দের তালিকায় দীপু জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দের তালিকায় দীপুর নাম দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা এই নেতাকে দায়িত্বে দেখতে চান অনেকেই মানবতার ফেরিওয়ালা মোজাম্মেল মোল্লার উদ্যোগে শিবালয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানি

কিডনি রোগে আক্রান্ত পত্রিকা বিক্রেতা ইদ্রিস আলী বাঁচতে চায়

Reporter Name

 

মেহেদী হাসান,ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রতিদিন কত খবর আসে যে,কাগজের পাতা ভরে,জীবন পাতার অনেক খবর রয়ে যায় অগচরে। এ গানের সুত্র ধরে বলতে হয়, যে মানুষটি দেশ ও দশের খবর পৌছে দিতে প্রতিদিন কাকডাকা ভোরে ছুটে চলতো,আজ তার খবরই কেউ রাখেনা।
এমনি এক খবরের ফেরিওয়ালা দিনাজপুরের ফুলবাড়ী পৌর শহরে পত্রিকা বিক্রেতা ইদ্রিস আলী(৪৩)।
তিনি বেশ কিছুদিন ধরে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে পারছেনা। ধিরে ধিরে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের হড়হড়িয়া গ্রামের দিনমজুর মো. সামসুদ্দিন মন্ডলের ছেলে ইদ্রিস আলী (৪৩)। পেশায় একজন পত্রিকা বিক্রেতা। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে ফুলবাড়ী পৌরশহরের বিভিন্ন বাসাবাড়ী ও প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকা পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়ে আসছেন। তার এই যৎসামান্য আয়ে স্ত্রী ও দুই প্রতিবন্ধি কন্যাসহ চার সদস্যের সংসার চলে।
প্রায় ছয় মাস আগে পত্রিকা বিক্রেতা ইদ্রিস আলীর কিডনি রোগ ধরা পড়ে। এরই মধ্যে একটি কিডনি পুরোপুরি অকেজো হয়ে গেছে, আর একটি কিডনি প্রায় নষ্ট হওয়ার পথে বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসক। কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে পত্রিকা বিক্রি করতে পারেন না বাড়ীতেই শুয়ে বসে দিন কাটছে তার। অর্থাভাবে চিকিৎসাও করতে পারছেননা। কোনো দিন অর্থ জোগার হলে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রের দুই-একটি ওষুধ কিনে খাচ্ছেন।

ইদ্রিস আলীর বড় মেয়ে ইরিনা আক্তার (১৭) বাক প্রতিবন্ধী। আর ছোট মেয়ে ইয়াসমিন আক্তার ইভা (১০) জন্ম থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি অসুস্থ হয়ে পড়ায় সংসার চালানো ও তার চিকিৎসার খরচ মেটানো দায় হয়ে পড়েছে,সেইসাথে
বাচ্চাদের লেখাপড়াও বন্ধ হওয়ার উপক্রম। সহায় সম্বল বলতে যা ছিল, বিক্রি করে এতদিন চিকিৎসা খরচ জুগিয়েছেন। অনেক ধারদেনাও হয়েছে।
অসুস্থ ইদ্রিস আলীর স্ত্রী রাবিয়া বেগম বলেন, ইদ্রিস আলীর কিডনি রোগ ধরা পড়ার পর দুই দফায় ২২ দিন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ ওষুধ কিনতে গিয়ে এক লাখ টাকারও বেশি খরচ হয়ে গেছে। এরমধ্যে রংপুর গিয়ে কিডনি চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ সময় তার রক্ত শূন্যতা ধরা পড়ায় তাকে দুইদিন পর পর ‘এ’ পজেটিভ গ্রæপের রক্ত দিতে হচ্ছে। টাকার অভাবে বাড়ীতেই চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাওয়াসহ স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত নিতে হচ্ছে।
ইদ্রিস আলী বলেন, চিকিৎসকরা তাকে ডায়ালাইসিস করতে বলেছেন। কিন্তু ডায়ালাইসিস করতে মাসে দুই লাখ টাকা লাগবে। ডায়ালাইসিস করার জন্য কোনো টাকা না থাকায় তার পক্ষে কোনো কিছুই করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বাড়ীতে বসে নিজের চিকিৎসা এবং স্ত্রী ও প্রতিবন্ধী দুই কন্যার অনাগত ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তায় দিন কাটছে তার। তিনি না থাকলে তার প্রতিবন্ধী দুই মেয়ের ভবিষ্যত কি হবে? এ নিয়ে চিন্তার অন্ত নেই তার। এজন্য তিনি বাঁচতে চান। বাঁচার জন্য আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন।
পত্রিকা বিক্রেতা ইদ্রিস আলী তার চিকিৎসার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ দেশের বিত্তবান দানশীল ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। আর্থিক সহায়তা পাঠানো যাবে মো. ইদ্রিস আলী (বিকাশ নং-০১৭৩৭ ৬৮১৯৫৪ অথবা নগদ নং-০১৭৯৬ ১৭৭৮৯০)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা