May 13, 2026, 8:30 pm
শিরোনামঃ
সুশাসন ও আধুনিক নগর গড়ার প্রত্যয়ে মানিকগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মাসুদ পারভেজ নারায়ণগঞ্জে ৭০ বছর দখলে থাকা জমি জোরকরে বে-দখলের অপচেষ্টা। মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পেলেন এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক সোহেল রানা খন্দকার এমপি এস. এ. জিন্নাহ কবির–এর এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পেলেন টিপু সুলতান মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দের তালিকায় দীপু জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দের তালিকায় দীপুর নাম দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা এই নেতাকে দায়িত্বে দেখতে চান অনেকেই মানবতার ফেরিওয়ালা মোজাম্মেল মোল্লার উদ্যোগে শিবালয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানি ঘিওরে ধানের শীষের বিজয়ে দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় ঘিওরে ধানের শীষের বিজয়ে দোয়া ও শুভেচ্ছা বিনিময় মানিকগঞ্জ-১ আসনে জিন্নাহ্ কবিরকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দের তালিকায় দীপু

Reporter Name

মোঃশরিফুল ইসলাম মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদকে কেন্দ্র করে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা জোরালো হচ্ছে। এ আলোচনায় বারবার উঠে আসছে যুব রাজনীতির পরিচিত মুখ কাজী মোস্তাক হোসেন দীপুর নাম। জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দীর্ঘদিন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা এই নেতাকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান বলে তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী মতামত ব্যক্ত করেছেন।

দলীয় সূত্র ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং নেতৃত্বের সক্ষমতার বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁর সরব উপস্থিতি ও সক্রিয় ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন নেতাকর্মীরা।

নেতাকর্মীদের ভাষ্য, দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় তিনি একজন সংগঠক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কঠিন সময়েও মাঠে থেকে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং কর্মীদের সাহস জোগানোর ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। অনেকের মতে, সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং তৃণমূলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা তাঁকে নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

স্থানীয় পর্যায়ে তাঁর ব্যক্তিগত আচরণ, নম্রতা এবং কর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাব নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য করেন অনেকেই। তাঁদের মতে, রাজনৈতিক দায়িত্বের পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও তাঁকে সক্রিয় দেখা যায়। এলাকার গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, সামাজিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ এবং তরুণদের সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে তাঁর উদ্যোগকে অনেকেই ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ ইকবাল রনি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন সময় আমরা যাকে পাশে পেয়েছি, তিনি কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু ভাই। কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং সংগঠনকে সক্রিয় রাখার চেষ্টা করেছেন। তাই তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী তাঁকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান।

মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও ঘিওর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক সদস্য, সুমন দেওয়ান শাকিব বলেন, কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু ভাই একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ সংগঠক। তিনি সব সময় কর্মীদের মূল্যায়ন করেন এবং তাঁদের পাশে থাকেন। আন্দোলন-সংগ্রামের সময় তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, যা কর্মীদের মধ্যে সাহস ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

এদিকে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও নগর যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ টিপু সুলতান বলেন, দীপু ভাই কর্মীবান্ধব একজন নেতা। তিনি সব সময় সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করেন এবং কর্মীদের খোঁজখবর রাখেন। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করেন, তিনি দায়িত্ব পেলে মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও শক্তিশালী হবে।

তৃণমূল নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতির কারণে কাজী মোস্তাক হোসেন দীপু ভবিষ্যতে বড় দায়িত্ব পেলে দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ওপরই নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা