August 2, 2026, 3:23 am
শিরোনামঃ
আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে প্রাথমিকে বৃত্তি পেলেন আব্দুল্লাহ উমার মানিকগঞ্জে শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চকমিরপুর, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী গাইডলাইন সেশন সুশাসন ও আধুনিক নগর গড়ার প্রত্যয়ে মানিকগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মাসুদ পারভেজ নারায়ণগঞ্জে ৭০ বছর দখলে থাকা জমি জোরকরে বে-দখলের অপচেষ্টা। মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পেলেন এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক সোহেল রানা খন্দকার এমপি এস. এ. জিন্নাহ কবির–এর এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পেলেন টিপু সুলতান মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দের তালিকায় দীপু জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তৃণমূলের পছন্দের তালিকায় দীপুর নাম দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা এই নেতাকে দায়িত্বে দেখতে চান অনেকেই মানবতার ফেরিওয়ালা মোজাম্মেল মোল্লার উদ্যোগে শিবালয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশুদ্ধ পানি

জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভ্রাম্যমান মাড়াই যন্ত্র

আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের ঘিওরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ মাড়াই যন্ত্রের ব্যবহার। বর্তমানে চলছে সরিষা মাড়াই, ঝাড়া ও বস্তাভর্তি হওয়ার যন্ত্র (ট্রেসিং যন্ত্রের) সরিষা মাড়াই। ফসলের মাঠে কিংবা ঘরে বসেই কৃষকরা পাচ্ছেন মাড়াই সুবিধে। এতে ফসলের উৎপাদন বাড়ছে, তেমনি কমেছে অপচয় আর উৎপাদন ব্যয় ও দিনমজুরের ওপর নির্ভরতাও।

সরজমিন দেখা যায়, উপজেলার বাষ্টিয়া মাঠের জমিতে থাকা মাড়াই (ট্রেসিং) যন্ত্রের একদিকে সরিষাগাছ দিচ্ছেন অন্যদিকে ভুষি আর নিচ দিয়ে সরিষা দানা বের হচ্ছে। কৃষক সঙ্গে সঙ্গে আঁশ ছাড়ানো ফল হাত জালির চালুনি দিয়ে সরিষা দানা আলাদা করছেন। এরপর বস্তায় ভরা হচ্ছে। অতিরিক্ত হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে ভুষি। যা ব্যবহার হচ্ছে গো-খাদ্য হিসেবে।

বাষ্টিয়া গ্রামের কৃষক আক্তার মোল্লা বলেন, এবার ৫ বিঘাতে সাড়ে ২৪ মন স​রিষা পেয়েছি। প্রতি বিঘাতে তার উৎপাদন খরচ হয়েছে চার হাজার টাকা। বিঘা প্রতি মাড়াই খরচ এক হাজার টাকা।

পুরাণগ্রামের কৃষক সোনা মিয়া বলেন, আগে সরিষা গাছ তুলে শুকানো এবং দানা বের করার জন্য রাস্তায় বিছিয়ে রাখতাম। এরপর বাড়ির উঠানে এনে বাশের লাঠির মাধ্যমে বাড়ি দিয়ে সরিষার দানা বের করতাম। এরপর ট্রাক্টর চালিয়েও মাড়াই করতাম। এতে রাস্তায় এবং আশপাশে সরিষার দানা পড়ে অপচয় হতো, খরচ বেশি পড়তো। বর্তমানে মাড়াই মেশিন আসায় ফসল অপচয় কম হয়।

বিভিন্ন মাঠে ভাড়া দেওয়া মাড়াই (ট্রেসিং) যন্ত্র ব্যবসায়ী মো. আলী বলেন, মাড়াই কলে আট ধরনের ফসল মাড়াই করা যায়। সরিষা মাড়াইয়ে বিঘাপ্রতি ১ হাজার টাকা নিয়ে থাকি। ফসলের মাঠে নিয়ে গিয়ে জমির সরিষাগাছ তোলা এবং দানা বস্তায় ভরা পর্যন্ত সময় লাগে দুই ঘণ্টা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: মাজেদুল ইসলাম বলেন, উপজেলার এবার ৮ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ হয়েছে। যা গতবারের চেয়ে ৫শত হেক্টর বেশি। কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে কৃষকরা যন্ত্রের ব্যবহারের সুফল পাচ্ছেন। ঘিওর উপজেলায় কৃষকরাও ব্যবহার করছেন সরকারী ভর্তুকীর আধুনিক যন্ত্রসহ দেশীও তৈরি বিভিন্ন কৃষি যন্ত্রপাতি। বর্তমানে চারা রোপণে ট্রন্সপ্লান্টার, ​বীজ বপনে ইনক্লাইন্ড প্লেট সিডার, খেতের বেড-নালা তৈরিতে বেড প্লান্টার, ফসল কাটায় রিপার ও হারভেস্টারসহ মাড়াইয়ে ট্রেসিং যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। তবে এসবের মাঝে কৃষকের নজর কেড়েছে মাড়াই (ট্রেসিং) যন্ত্রটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা