এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়া পটুয়াখালী প্রতিনিধি
কলাপাড়ায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন এ্যাকশন এর উদ্যোগে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কিশোর-কিশোরীদের অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১১ মার্চ) বেলা ১১ টায় টিয়াখালী কে.আই.ইসলাম মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মোস্তফা। টিয়াখালী কে.আই.ইসলাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মোঃ কাজী ইমদাদুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, টিয়াখালী কে.আই.ইসলাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কাজী মিজানুর রহমান, কলাপাড়া এনজিও ফোরামের সদস্য সচিব মো: মনিরুল ইসলাম, ফেইথ ইন এ্যাকশন’র প্রকল্প ব্যবস্থাপক অনিক রনি দত্ত প্রমুখ।
সেমিনারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রকল্প ব্যবস্থাপক অনিক রনি দত্ত বলেন যে, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি। এ ব্যাধি দূরীকরণের জন্য সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সচেতনতা প্রয়োজন। আর উদ্দেশ্যই সকল অংশগ্রহণকারীকে উদ্বুদ্ধকরণের জন্যই এ সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে। এ সেমিনারের মধ্যদিয়ে সকল অংশগ্রহণকারীর মাঝে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও তথ্য প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণের প্রয়াসে কলাপাড়া উপজেলা প্রসাশনের সহায়তায় প্রকাশিত লাল কার্ড বিতরণ করাও অন্যতম উদ্দেশ্য।
এ সময় স্কুলের অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় উপস্থিত ছিলেন।
###
কলাপাড়ায় ভূমি জালিয়াতি মামলায় এক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত
এস এম আলমগীর হোসেন, কলাপাড়াঃ কলাপাড়ায় ভূমি জালিয়াতি মামলায় এক শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন পশ্চিম হাচনাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
মামলা ও এলাকা সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন এর পশ্চিম হাচনাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোসাঃ লিপি আক্তার। ২০১০ সালে চান্দুপাড়া মৌজার ২৫৮ নং খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক হাকিমজান বিবি ওরফে ছালেহা বেগমের ৪৫ শতক ভূমি জালিয়াতিভাবে দাতা দেখিয়ে জাহানারা বেগমকে গ্রহীতাকে সাজিয়ে ২৩৬০/১০ নং হেবা ঘোষনা পত্র দলিল সৃষ্টি করে গোপন রাখে। পরবর্তিতে হাকিমজানের অপর ওয়ারিশ জাল ভুয়া দলিলপত্রের বিষয় জেনে পটুয়াখালী সাবরেজিস্ট্রার অফিস থেকে দলিলের নকল উত্তোলন করে জাল ভুয়া দলিলের বিষয় নিশ্চিত হয়ে ভূমির প্রকৃত ওয়ারিশ মোঃ নাসির তালুকদার (৫১)বাদী হয়ে বিচার দাবীতে গৃহীতা জাহানারা বেগম (৬৩), মনির হোসেন (৩৩),শিক্ষিকা লিপি আক্তার (৩২) সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করেন। ওই মামলায় শিক্ষিকা লিপি আক্তারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এব্যাপারে কলাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যেহেতু ফৌজদারি অপরাধের মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওই মামলার শিক্ষিকা লিপি আক্তার আসামী থাকায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত করে আদেশ আমাদের অফিসে পাঠিয়েছেন। ওই আদেশ আমরা ২৭ ফেব্রুয়ারী থেকে কার্যকর করেছি।
এদিকে পশ্চিম হাচনাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসাঃ নিলা বেগম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লিপি আক্তারকে উদ্ধর্তন কর্মকর্তা জালিয়াতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। আমি কার্যকর না করে পারি না। গত ২৭ ফেব্রুয়ারী থেকে ওই আদেশ কার্যকর করেছি।