November 2, 2026, 3:13 am
শিরোনামঃ
এগ্রোইকোলজির খাদ্যব্যবস্থা ও রাসায়নিক কৃষির প্রভাব পানিতে ডোবে জমি, গাওতায় ফলছে ফসল ঘিওরে জমি উদ্ধারের অভিযানে হামলার অভিযোগ, ভেকু চালক আহত; আটক ১ ঘিওরে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে গাছের চারা রোপন করেন ছাত্রদল নেতা। আশা শিক্ষা কর্মসূচি হতে প্রাথমিকে বৃত্তি পেলেন আব্দুল্লাহ উমার মানিকগঞ্জে শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদ চকমিরপুর, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন এইচ.এস.সি পরীক্ষার্থীদের জন্য ব্যতিক্রমী গাইডলাইন সেশন সুশাসন ও আধুনিক নগর গড়ার প্রত্যয়ে মানিকগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মাসুদ পারভেজ নারায়ণগঞ্জে ৭০ বছর দখলে থাকা জমি জোরকরে বে-দখলের অপচেষ্টা। মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পেলেন এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক সোহেল রানা খন্দকার এমপি এস. এ. জিন্নাহ কবির–এর এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পেলেন টিপু সুলতান

জনবল ও ওষুধ সংকটে মোহনপুর উপজেলা হাসপাতাল

Reporter Name

রাসেদুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার :

জনবল ও ওষুধ সংকটে কারণে কোন সুফল পাচ্ছে না রোগীরা। এ উপজেলায় ৬ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। প্রায় ২ লাখ মানুষের জন্য ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি বর্তমানে বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। ফলে উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীরা চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এতে করে উপজেলাবাসী প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দিকে ঝুঁকছেন প্রতিনিয়ত। জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও পর্যাপ্ত জনবল দেওয়া হয়নি। এখানে প্রায় ৬০ জনের মতো রোগী ভর্তি হয়ে থাকেন নাক, কান, গলা ও গাইনি বিভাগের ১ জন মাএ ডাক্তার তিনি প্রতিনিয়তো উপস্হিত থাকতে পারেন না। নেই চক্ষু কনসালটেন্ট ও সার্জারি, পদগুলো এ পর্যন্ত খালিই রয়েছে। চিকিৎসকের পদ আছে ১৫ থাকলেউ কর্মরত আছেন ৯ জন থেকে ১০ জন।২৭-২৮জনের অধিক নার্স নিয়মিত সেবাদানের কথা থাকলেও উপস্থিত হচ্ছেন ৭থেকে ৮ জন। এদিকে জুরুরি সেবার জন্য সচল নেই এক্সরে মেশিন । জীবাণুমুক্ত করা অটোক্লেভ যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের দীর্ঘদিন ধরেই সচল থাকলেউ ১০ জন থেকে ১২ জন সর্বচ্চ এই সুবিধা প্রায় পার ডে । ইসিজি যন্ত্র ২ টি সচল রয়েছে তবে অনেকেই এ সুবিধা হতে বঞ্চিত হন। হাসপাতালে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য একটি জেনারেটর মেশিন থাকলেও তা শুরু থেকেই নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে।
টিকিট কাউন্টারে নেই জন বল যার কারনে ভোগান্তির শিকার হয়ে ঘন্টার পার ঘন্টা দাড়িয়ে কাটান অসহায় মানুষ জন। বেশির ভাগ সময়ই হাসপাতালে মাঝেতে থাকে ময়লা-আবর্জনা, যেন দেখার কেউ নেই। চিকিৎসা নিতে আসা জহিরুল জানান, হাসপাতালের ভেতর অপরিষ্কার ও নোংরা পরিবেশ হওয়ায় আমাদের মতো রোগী আসা বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ হাসপাতালে ভর্তি হলে গন্ধে দিশেহারা হয়ে যায় রোগীরা। আর হাসপাতালে সুচিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা নেই। ঠিকমতো ডাক্তারও পাওয়া যায় না। ভুক্ত ভোগি মুক্তাবলেন যে ওষুধ গুলা জরুরী এবং তুলনা মূলক দামি সে ওষুধ গুলা আমি পায়নি, একাধিক বার এমন হয়েছে,, কি কি ওষুধ আসে, স্টক কতো সে গুলার লিস্ট বোডে ঝুলানো দরকার এতে রোগিরা ওষুধ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা পাবে। আর এম ও ডা: রাসেদুল জানান জনবল ও সরঞ্জাম সংকটের মধ্যেই সেবা দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি, আমাদের সুইপার, নাইট গার্ড,বাবুর্চি ও মালি নেই । জনবল ও ভালো যন্ত্রপাতি পেলে হয়তো সঠিক সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। সংকট আমাদের পুরোনো সমস্যা। পর্যাপ্ত পরিমাণ জনবল পেলে আমরা সেবাটা আরও ভালো করতে পারব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা